Thursday, 9 May 2019


শহরটা আজ শ্মশান। দ্বিতীয় হুগলি ব্রিজে যতদূর চোখ যায় গাড়ির লাইন। তাড়াহুড়োয় দুটো ট্রাক উলটে ব্রিজের মাঝখানে রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে। গাড়ি আর এগোচ্ছে না। গাড়ি থেকে নেমে পড়ে উর্ধ্বশ্বাসে ছুটছে কাতারে কাতারে মানুষ। পালাচ্ছে। কাঁদছে। আর্তনাদ করছে প্রাণভয়ে। হোঁচট খেয়ে, মুখ থুবড়ে পড়ছে, মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়ছে দুধের শিশু, বুড়োটার মুখ পিষে দিয়ে ছুটে যাচ্ছে ভারী জুতো। প্রাণের ভয়ে। স্রেফ প্রাণের ভয়ে। মাটির ঢিপি ভাঙা পিঁপড়ের সারির মত পিলপিল করে ছুটছে ভয়ার্ত মানুষ। পালিয়ে যাবে কোথায়? মৃত্যু যে আসন্ন।

থ্যানোস এসে গেছে। পাশ্চাত্যের দর্প চূর্ণ করে থ্যানোসের পা পড়েছে উপমহাদেশের মাটিতে। আয়রন ম্যান, স্পাইডার ম্যান, ক্যাপ্টেন আমেরিকা, ব্ল্যাক প্যান্থারের মত অতিমানবদের জয় করে থ্যানসের রণতরী আকাশগঙ্গা বেয়ে নোঙর করেছে কলকাতার আকাশে। পাহাড়প্রমাণ পাগল টাইটান থ্যানোসের হাতে রয়েছে অত্যন্ত শক্তিশালী অজানা এক ধাতুর তৈরি দস্তানা - ইনফিনিটি গন্টলেট। তাতে বসানো সাতটি ইনফিনিটি স্টোন - মহাবিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সাতটি রত্ন। এর বশেই আজ ব্রহ্মাণ্ড জয়ের স্বপ্ন দেখছে থ্যানোস।
'সিটি অফ জয়' আজ 'সিটি অফ টেরর'। ধ্বংস হচ্ছে ইমারতের পর ইমারত, গুঁড়িয়ে যাচ্ছে সৌধ, মনুমেন্টের মাথা ছাড়িয়ে আকাশে উঁকি দিচ্ছে বহ্নিশিখা। অতঙ্কিত শহরবাসী সভয়ে শুনছে থ্যানসের উন্মাদ রণহুঙ্কার, "পৃথিবী আমার, এই সৌরজগৎ আমার, গ্যালাক্সি, এই ইউনিভার্স সব আমার।"
বঙ্কুবাবু এখন শিবপুরে গঙ্গারধারে বস্তির পাশে একটা ছোট্ট সরকারি ইস্কুলের হেডমাস্টার। বাকি যেকজন মাস্টার আছে তারা স্কুলে হাজিরা দিয়েই বাইক নিয়ে ছোটে টিউশন দিতে। বঙ্কুবাবু একাই অঙ্ক, ইতিহাস, ভূগোল, বিজ্ঞান, বাংলা, ইংরিজি সবই পড়ান। ছাত্রসংখ্যা কম বলেই পেরে ওঠেন। স্কুলের ছাদে দাঁড়িয়ে গঙ্গার ওপারে থ্যানোস আর তার বাহিনীর তান্ডব দেখছিলেন তিনি। শুধু ধোঁয়া আর আগুনের শিখা। মানুষের পর মানুষ প্রাণভয়ে ঝাঁপ দিচ্ছে গঙ্গায়। বিস্ফোরণ আর অগণিত মানুষের কান্নার আওয়াজ গঙ্গার এপারেও এসে পৌঁছচ্ছে। এসব দেখে তিনি মোটেও বিচলিত হলেন না। এ হওয়ারই ছিল। এমনিতেই তো মানুষের বিবর্তন পশ্চাদপসরণ করেছিল অনেকদিন ধরেই। এর ওর টিকি, দাড়ি টানাটানি আর মন্দির মসজিদ ভাঙাভাঙি ছাড়া আর তো বিশেষ কোন কাজ ছিল না লোকজনের। দেশটা এমনিতেই নরকের দরজার এসে কড়া নাড়ছিল। সেই কাজটাই থ্যানোস আসতে তাড়াতাড়িই ঘটে যাচ্ছে। ভাল, ভাল। শুভস্য শীঘ্রম।
সিঁড়ি দিয়ে নীচে নামতে লাগলেন বঙ্কুবাবু। মানুষ জাতটার ওপরেই তার ঘেন্না ধরে গেছে। কদিন আগে এক প্রাক্তন ছাত্র তাঁকে একটা স্মার্টফোন গিফট করে ফেসবুক জিনিসটা শিখিয়ে দিয়েছিল। প্রথমদিকে মন্দ লাগেনি। দেশে বিদেশে ছড়িয়ে থাকা পুরনো ছাত্রটাত্রদের সাথে কথা টথা বলা যায়। তাঁর কম বয়সের কবিতা লেখার শখটাও চাগাড় দিয়ে উঠেছিল। লোকজনের 'আপনার এই লেখাগুলোর জন্যই বেঁচে থাকা', 'সমৃদ্ধ হলাম', 'কি করে লেখেন এত ভাল?', 'পরের বইমেলায় দু'মলাটে পাচ্ছি তো?' ইত্যাদি সুন্দর সুন্দর মন্তব্য পড়ে মাঝেমধ্যে তাঁর নিজেরই নিজের পিঠ চাপড়াতে ইচ্ছে করত। কিন্তু যতদিন যেতে লাগল শিউরে উঠতে লাগলেন। কাঁকুড়গাছিতে থাকাকালীন একবার একটা চোরকে ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে ঠান্ডা মাথায় পিটিয়ে মারা হচ্ছিল দেখে অজ্ঞান হয়ে গেছিলেন বঙ্কুবাবু। তিনদিন জ্ঞান ছিল না তাঁর। ফেসবুকেও সেই জিনিসটার ছায়া ইদানীং বড্ড মনোকষ্ট দিচ্ছে তাঁকে। কারো সাথে মতের অমিল হলেই, কেউ ভুলবশত ছোটখাটো বেফাঁস কথা বলে বসলেই খাপ পঞ্চায়েত বসিয়ে তার ছাল ছাড়ানো হচ্ছে। ফেসবুক খুললেই সেই ল্যাম্পপোস্টে বাঁধা রক্তাক্ত চোরটার যন্ত্রণকাতর, বিহ্বল চাহনি ভেসে ওঠে চোখের সামনে। এর থেকে শ্রীপতিবাবুদের আড্ডা অনেক ভাল ছিল। তারা বঙ্কুকে নিয়ে ছেলেমানুষি রগড় করত ঠিকই কিন্তু অমন কেউ ছিল না। তাই ফোনটাকে সেই যে দেরাজে ঢুকিয়ে চাবি দিয়ে রেখেছিলেন আর খোলেননি।
থ্যানোস পৃথিবী ধ্বংস করে ফেললেও বঙ্কুবাবুর কিছু যায় আসে না। গুণগুণ করে একটা শ্যামাসঙ্গীত গাইতে গাইতে অফিসঘরে ঢুকে তিনি থমকে দাঁড়ালেন। উল্টোদিকের দেওয়ালে টাঙানো ফ্রেমে বাঁধানো স্বামী বিবেকানন্দ, সুভাষচন্দ্র বোসের সাথে চোখাচোখি হতে ভারী অপ্রস্তুতে পরে গেলেন বঙ্কুবাবু। বাঙালী হিসেবে তাঁর বড্ড লজ্জা করল। নাহ, মানুষের স্বার্থে না হোক এই গ্রহটার জন্য অন্তত কিছু একটা করা দরকার। হাজার হোক নীলতিমি, রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, হাতি, সিংহ, ভাল্লুক, টুনটুনি পাখি, চমরীগাই মায় পিরানহা মাছ থেকে মশামাছি পর্যন্ত কোটি কোটি নিরপরাধ প্রাণীকে বেঘোরে মরতে দেওয়াটা উচিত হবে না। যাই হোক, ওরা তো আর মানুষের মত ত্যাঁদোড় অসভ্য নয়। আর থ্যানোসের সাথে এঁটে উঠতে না পারলেও একবার অন্তত একটু প্রতিবাদ করেই না হয় দেখা যাক। সারা জীবনটায় তো আর কিছুই হল না। ইঁদুরের মত গর্তে লুকিয়ে পুড়ে মরার চেয়ে বীরের মৃত্যু ঢের ঢের সম্মানজনক।
*****
বিকেলের সূর্য পশ্চিমের আকাশে ঢলে পড়েছে। আকাশ টকটকে লাল। গড়ের মাঠে হাজার হাজার মানুষ দৈত্যাকৃতি থ্যানোসের পায়ের কাছে সারিবদ্ধভাবে হাঁটু গেড়ে বসে আছে। থ্যানোসের সৈন্যরা ধরে এনেছে এদের। গমগমে গলায় হুঙ্কার ছাড়ল থ্যানোস, "শোনো পৃথিবীবাসী। আজ থেকে তোমাদের ছোট্ট গ্রহের মালিক আমি। বাঁচতে যদি চাও আমার ক্রীতদাস হয়ে থাকতে হবে। হুকুম অমান্য করার শাস্তি একটাই - মৃত্যু।"
হাঁটু গেড়ে বসা ক্লান্ত, সন্ত্রস্ত মানুষগুলো মাথা নীচু করে থরথরিয়ে কাঁপছিল। ভিড়ের মধ্যে থেকে হঠাৎ একটা গলা শোনা গেল। ব্রহ্মান্ড বিজয়ী দুরন্ত থ্যানোস অবাক হয়ে দেখল ধুতি আর শার্ট পরা একটা রোগামত বেঁটেখাটো বুড়ো লোক "এই যো" বলে হাত তুলে তাকে ইশারা করছে।
"ইয়ে বলছি যে এখানে আপনি বিশেষ সুবিধে করতে পারবেন না। যেখান থেকে এসছেন সেখানেই ফিরে যান। ক্ষয়ক্ষতি সব না হয় আমরা মাফ করেই দেবো।"
গর্জে উঠল থ্যানোস। বাজ পড়ল যেন। এই তুচ্ছ মানুষটার এত স্পর্ধা! ডান হাতের ইনফিনিটি গন্টলেটটা তুলে তাক করল থ্যানোস। বঙ্কুবাবু সভয়ে চোখ বুজলেন। চোখের পলক পরার আগেই তার নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার কথা। কি হল! বেঁচে আছেন বলেই তো বোধ হচ্ছে। ভয়ে ভয়ে একটা চোখ খুললেন। তারপর আর একটা। বঙ্কুবাবু দেখলেন থ্যানোস অবাক হয়ে নিজের হাতের দিকে তাকিয়ে। ধাতুর দস্তানায় একটাও রত্ন আর অবশিষ্ট নেই। গর্তগুলো ফাঁকা! পাগল টাইটানের মুখ দিয়ে কিছুক্ষণ কোন কথা বেরোল না।
তারপর প্রচন্ড ক্রোধে থ্যানোসের তার অতিকায় মুঠো ছুঁড়ে দিল বঙ্কুবাবুকে পিষে ফেলার উদ্দেশ্যে।
বিস্ময়ে হতবাক থ্যানোস দেখল সে নড়তে পারছে না। তার সৈন্যরাও পাথরের মূর্তির মত অবিচল।
বঙ্কুবাবুকে আড়াল করে থ্যানোসের সামনে শূণ্যে ভাসমান একটা ছোট্ট স্পেসশিপ। চালকের আসনে বসে আছে অদ্ভুতদর্শন একটা প্রাণী। লিকলিকে হাত পা, মাথাটা দেহের তুলনায় বড়, দুটো চোখ দিয়ে যেন আলো ঠিকরে বেরোচ্ছে। গায়ে চকচকে পোশাক দিয়ে হালকা গোলাপী আভা বেরোচ্ছে।
বঙ্কুবাবু আনন্দে চেঁচিয়ে উঠলেন, "অ্যাং!"
কাঁপতে কাঁপতে হাঁটু গেড়ে বসে পড়ল থ্যানোস।
- "মহারাজ অ্যাং! আ-আপনি!"
- "কি ব্যাপার থ্যানোস? তুমি নাকি ব্রহ্মাণ্ড জয় করবে?"
- "ক্ষমা করে দিন মহারাজ। আমি এক্ষুনি ফিরে যাবো। দয়া করে আমাকে নির্বাসনে পাঠাবেন না।"
- "আর এই ধ্বংসের হিসেব কে দেব? এতগুলো প্রাণের মূল্য কি তুমি চোকাতে পারবে থ্যানোস?"
- "কিন্তু এরা যে ইতর প্রাণী। এরা হিংস্র, এরা নিজেদের মধ্যেই খেয়োখেয়ি করে শেষ হয়ে যাবে। এদের প্রাণের মূল্য নেই। আমি গ্রহটার বিশুদ্ধি করতে চাই। আমি এদের শৃঙ্খলাবদ্ধ করবো।"
- "যতদিন জানিবে বঙ্কুর মত একজনও মানুষ বেঁচে আছে, যে অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়ানোর, সাদাকে সাদা আর কালোকে কালো বলার ক্ষমতা রাখে ততদিন এই গ্রহের মৃত্যু নেই। এদের এই বৈশিষ্ট্যটাই আমাকেও অবাক করে থ্যানোস। অন্যায়ের সাথে আপোস এরা করে না। অত্যাচারীর অধীনতা মানে না।"
- "ক-কিন্তু....."
- "ভাগ্যিস অনেক দিন পর আমার বন্ধুর সাথে দেখা করতে আসছিলাম। নইলে তো জানতেও পারতাম না তুমি এখানে এই কীর্তি ঘটাচ্ছ।"
- "ক্ষমা.... ক্ষম...."
কথাটা শেষ করার আগেই অ্যাং এর এক তুড়িতে ভ্যানিশ হয়ে গেল থ্যানোস। তার রক্তলোলুপ সৈন্যদলও।
বঙ্কুবাবুর দিকে ফিরে ক্রেনিয়াস গ্রহের অ্যাং বলল, - "কি বঙ্কু? ভাল আছ?"
- "অ্যাং তুমি মানে আপনি রাজা! এই ব্রহ্মান্ডের রাজা!" কাঁপা কাঁপা গলায় বললেন বঙ্কু।
স্পেশশিপ থেকে নামতে নামতে অ্যাং বলল,
"তোমার জন্য স্রেফ বন্ধু। এর বেশী আর কিছু না। 'তুমি'টাই থাক না। আবার 'আপনি' কেন? আর ব্রহ্মান্ড মাপার ক্ষমতা আমাদেরও নেই। তোমাদের চেনা ইউনিভার্সের ওই ধরো এক তৃতীয়াংশের দেখাশোনা করি আমি।"
কৃতজ্ঞতায়, আবেগে চোখে জল এল বঙ্কুবাবুর। বন্ধুকে জড়িয়ে ধরলেন তিনি।
জমায়েত মানুষজন জয়ধ্বনি করে উঠল তাদের ঘিরে।
- "কিন্তু ওই পাথরগুলো কোথায় গেল বল তো বঙ্কু? আবার কোনো শয়তানের হাতে পড়লে মহা মুশকিল। থ্যানোসের হাত থেকে তার নাকের ডগা দিয়ে কে হাতিয়ে নিল!"
বঙ্কুবাবু জোড়হাত কপালে ঠেকিয়ে বললেন, "ভগবান যা করেন তা মঙ্গলের জন্যই করেন।"
*******
কালো চামড়ার বুট পরা দু'জোড়া পা সন্ধেবেলা গঙ্গার ধার দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিল। বেঁটে লোকটার হাতে কালো কাপড়ে মোড়া একটা হরলিক্সের শিশি। কালো কাপড়টা সরিয়ে নিলে দেখা যাবে ওই শিশির ভিতরেই আছে পাথরগুলো।
চামড়ার জ্যাকেট পরা লোকটা বলে উঠল,
- "মনটা বড্ড ছোঁক ছোঁক করচে বুজলেন মশাই...."
সাহেবি টুপি মাথায়, ফ্রেঞ্চকাট দাড়ি উত্তরে প্রশ্ন করল, - "কেন? আবার কি হল?"
- "বলচি যে কাজটা ঠিক হল তো? মানে ওই থ্যানোস না ধ্যানোস কোন ঠাকুর দেবতার অবতার টবতার নয় তো? যদি ধাঁ করে শাপ টাপ দিয়ে দেয়...."
- "ইডিয়টের মত কথা বোলো না তো। চুপচাপ চলো। আমি স্রেফ অবাক হয়ে যাচ্ছি তুমি তার হাত থেকে ইনফিনিটি স্টোনগুলো হাতালে কি করে?"
- "হেঁহেঁ.... ছেলেবেলা থেকে ধর্মতলায় পকেট মারচি। পুলিশ টুলিশ কেউ বাদ গেল না। আর ওই থ্যানোস.... ছো:!"
- "নাহ, এত বছর পর মানতেই হচ্ছে যে তোমার বেশ এলেম আছে।"
- "কিন্তু বলচি কি মশাই পাথরগুলো হাতছাড়া করা কি ঠিক হচ্চে? মগনলাল মেঘরাজ কিন্তু কয়েক কোটি দেবে বলে..... আর সবুজ পাথরটা দেখে মনটা কিরম ছুকছুক কচ্চিল। একটা আংটি বানিয়ে পরলে মন্দ হত না।"
কটমট করে তাকাল ফ্রেঞ্চকাট দাড়ি।
- "সারাজীবনে কি কম পাপ করেছ? পাপের বোঝাটা একটু হালকা করার চেষ্টা করো এবার।"
- "হ্যাঁ তা ঠিক, পাপ করে করেই জীবনটা গেল.... মাঝেমাঝে নিজের ওপরই ভারী ঘেন্না হয়।"
গঙ্গার ধারে পৌঁছে একটা নিরিবিল জায়গা দেখে দাঁড়াল দুজন। এদিক ওদিক দেখে নিয়ে ফ্রেঞ্চকাট দাড়ি হাতের হরলিক্সের শিশিটাকে ছুঁড়ে দিল গঙ্গায়।
- "ব্যাস, এবার সিধে....."
- ".....বঙ্গোপসাগর, তারপর ভারত মহাসাগর।"
- "বাবা! পেটে পেটে এত বিদ্যে!"
- "আরে মশাই ভুলে গেলেন? ম্যাট্রিকে ছাপ্পান্ন পেয়েছিলুম.... ভূগোলে।"
দুজনেই হেসে উঠল। তারপর আর একবার এদিক ওদিক দেখে নিয়ে হাঁটতে হাঁটতে চৌরঙ্গীর ভিড়ে মিশে গেল মন্দার বোস আর অমিয়নাথ বর্মন।

No comments:

Post a Comment